বুধবার দুপুরে কারওয়ানবাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক সারোয়ার বিন কাশেম বলেন, মজনু নামের আনুমানিক ৩০ বছর বয়সী ওই যুবক ‘মাদকাসক্ত; এবং একজন ‘সিরিয়াল রেপিস্ট’।
র্যাব বলছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের কথাও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন মজনু। তার ছবি দেখানোর পর মেয়েটিও তাকে শনাক্ত করেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ওই ছাত্রী শেওড়ায় বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার পথে ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় কুর্মিটোলায় বাস থেকে নামার পরপরই আক্রান্ত হন। পেছন থেকে মুখ চেপে ধরে তাকে তুলে সড়কের পাশে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় তিন ঘণ্টা ধরে।
কয়েক ঘণ্টা পর চেতনা ফিরে পেয়ে ওই ছাত্রী বান্ধবীর বাসায় যান। রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। পরদিন ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন তার বাবা।
সহপাঠী ধর্ষিত হওয়ার খবরে সেই রাত থেকেই ক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। মামলা তদন্তের দায়িত্ব গোয়েন্দা পুলিশকে দেওয়া হলেও র্যাবসহ পুলিশের অন্যান্য বিভাগ তদন্তে নামে।
র্যাব বলছে, ওই ছাত্রীর মোবাইল ফোন ও ব্যাগ নিয়ে গিয়েছিল ধর্ষক, যার সূত্র ধরে মঙ্গলবার দুইজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার ভোর পৌনে ৫টায় শেওড়া রেলের ক্রসিং এলাকা থেকে মজনুকে র্যাব গ্রেপ্তার করে।
তার কাছ থেকে ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন, ব্যাগ ও পাওয়ার ব্যাংক উদ্ধার করার কথাও জানানো হয় র্যাবের পক্ষ থেকে।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন